গ্রীষ্মে
‘কুল’ থাকার ৮টি উপায়
হিমেল হাওয়ার দাপট বাতাসে আর নেই৷
কিছুদিন আগেও যে অল্প শীত শীত ভাবটা অবশিষ্ট ছিল তাও আস্তে আস্তে উধাও হচ্ছে৷
গরমকাল এল বলে৷ শুরু থেকেই মেনে চলুন হেলদি লাইফ স্টাইল৷ কী ভাবে? জেনে নিন...
গরম পড়তে এখনও খানিকটা দেরি আছে৷ তবে
এটা আবহাওয়া পরিবর্তনের সময়৷ আর এই সময় সচেতন না হলে শরীর কাহিল হয়ে পড়ার আশঙ্কা
প্রবল৷ তাই গ্রীষ্মের প্রচণ্ড দাবদাহ শুরু হওয়ার আগেই নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে একটু
সচেতন হোন৷ সেটা খুব একটা কঠিন নয়৷ দরকার জীবনযাপনের সামান্য কিছু নিয়মের অদল-বদল৷
১) সারা বছরই পর্যাপ্ত পরিমাণ জল
খাওয়ার প্রয়োজন৷ তবে গরম কালে আমাদের শরীরে জলের প্রয়োজনীয়তা আরও একটু বেশি হয়৷
তার কারণ এই সময় অতিরিক্ত ঘাম হয়৷ ফলে ডিহাইড্রেশন হয়৷ ডিহাইড্রেশন থেকে হিট
স্ট্রোক পর্যন্ত হতে পারে৷ আর এই ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচতে আমাদের জল খাওয়ার পরিমাণটা
এই সময় বাড়ানো দরকার৷ এই নিয়মটা এখন থেকে মানলে গরম কালে আর এই ডিহাড্রেশনের ভয়
থাকবে না৷
২) প্রতিদিন খানিকটা সময় দিন
শরীরচর্চার জন্য৷ নিয়মিত শরীরচর্চা করলে তা সামগ্রিক ভাবে আমাদের সুস্থ থাকতে
সাহায্য করে৷ সকালের দিকে আউটডোর এক্সারসাইজ করতে পারেন৷ যে সময় আবহাওয়া
অপেক্ষাকৃত ঠাণ্ডা থাকে সেইসময় এক্সারসাইজ করুন৷ দুপুরের দিকে জিমে যাওয়া এড়িয়ে
যাওয়াই ভালো৷ সাঁতার কাটতে পারেন৷ আবার শরীর ঠাণ্ডা রাখার জন্য নানা ধরনের যোগ
ব্যায়ামও আছে৷ সেগুলোও অভ্যাস করতে পারেন৷
৩) গরম কালে সান বার্ন, হিট স্ট্রোক, ইত্যাদির আশঙ্কা বেড়েই যায়৷ তাই বাইরে
বেরোনোর সময় ছাতা মাস্ট৷ সঙ্গে সানগ্লাস রাখবেন৷ সানস্ক্রিনও লাগাতে ভুলবেন না৷
এবং অবশ্যই সঙ্গে জলের বোতল রাখবেন৷
৪) এই সময় ঠাণ্ডা পানীয় খাওয়ার একটা
প্রবণতা বেড়ে যায়৷ তাতে কিন্ত্ত হিতে বিপরীত হতে পারে৷ বারবার সফ্ট ড্রিঙ্ক না
খেয়ে কাঁচা আম পোড়ার সরবত বা দইয়ের ঘোল খেতে পারেন৷ গরম কালে শরীরকে ঠাণ্ডা রাখবে৷
লেবু-চিনির জলও খুবই উপকারী৷
৫) গরমকালে ঘামের ফলে অনেক সময়
ফাঙ্গাল ইনফেকশন দেখা দিতে পারে৷ এর জন্য ত্বক সব সময় পরিষ্কার রাখুন৷ হাইজিনের
উপর নজর দিন৷
৬) এই সময় থেকেই খাওয়া দাওয়ার দিকে
নজর দিন৷ শীতকাল ভর ভালো মন্দ খাওয়া তো হয়েই গিয়েছে৷ তাই এবার একটু হালকা খাওয়া
দাওয়া করুন৷ ফ্রায়েড ফুড, বাইরের
খাবার ইত্যাদি এড়িয়ে যান৷
৭) অতিরিক্ত চা বা কফি খাওয়ার অভ্যাস
থাকলে এখন থেকেই সেই অভ্যাসে রাশ টানুন৷ বদলে গ্রিন-টি খাওয়ার অভ্যাস করতে পারেন৷
ধূমপান বা অ্যালকোহলও যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলা উচিত৷
৮) পোশাকের উপরে নজর দিন৷ টাইট ফিটিং
সিনথেটিক জামা কাপড়ের বদলে সুতির ঢিলেঢালা পোশাক পরুন৷ রাতের ঘুম যাতে পর্যাপ্ত হয়, সেই ব্যাপারে খেয়াল রাখুন৷

No comments:
Post a Comment